নন্দন-দুয়ার 

সমাধিগুলো জ্যন্ত হয়ে উঠছে

ই দিগন্তের দুই দিকের অবিষ্মরণীয় এক মহেন্দ্রক্ষণে
পূর্ব ও পশ্চিম জ্বলেছে অগ্নিময়
আমাদের এই চাষাভূষা ভূঙ্গানাঙ্গারা আছিল হরিজন
কয়েক লক্ষের লকলকে রক্তাগুনের সমাধিতে
শাবলের ফলায় গলিতের করোটিতে রৌদ্রস্নানের শকুন
উর্বরা জমিনের হাড্ডিসারে ধেইধেই বাড়ন্ত খাদ্যফসল
অজস্র সেদ্ধ ঘরে কয়লার ঘ্রানে একদা মাংসের ভুনা
বেয়নেট খুঁচে অফুটন্ত যোনীতে শিশ্নের রিয়েলস্টেট
বনেদী খোদাদের জবাইকৃত ধরে চাঁদতারা আঁকা
এক নিখিল ভুঁই জাগা তান্ডবে মৃত সন্তান মৃত মাআআ
নতুন দিকচিহ্নে সূর্যের জাতিস্বরে রাঙানো প্রভাত
এই সব একদা বিভ্রম ছিল বলে আজকের নেড়িকুত্ত্বারা
চর্বিত ড্রাগন আর হাইফাই টেকধর্ম পুঁজির
উচ্চারণে বলে ফেলে ঐ সব ভুলে যেতে
মুক্তিযুদ্ধ নয় গৃহযুদ্ধ সুন্দরী সংগমে যুবারা যুদ্ধে গেল
কেউকেউ ফুলঝুরিতে আগ্নেয়লাভা আজমিনআসমানে
গর্ত খুঁড়ে উঠেছে শায়িত যোদ্ধারা কারো হাত নেই কারো পা
কারো মুন্ডু বিহীন শরীরে উঠিছে কাটা রাইফেল
জ্যন্ত হয়েছে লক্ষ লক্ষ কবর
রক্ত ফেনিল সফেদ কাফনে ডাকিছে আরেকবার যুদ্ধাতে হবে
 

কৌশিক আহমেদ

  নন্দন-দুয়ার